এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটে বাংলাদেশের একমাত্র স্বর্ণপদকের স্মৃতি ফিরিয়ে
আনতে দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে আজ জাপানের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।
অধিনায়ক লিটন কুমার দাসের নেতৃত্বে এবারের আসরে ফাইনালে ওঠা এবং স্বর্ণপদক জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে টাইগাররা।
গতকাল বুধবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে লিটন দাস বলেন, দলের প্রস্তুতি সন্তোষজনক হয়েছে।
জিম্বাবুয়ে সফরের পর দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছে দল, যা ক্রিকেটারদের মধ্যে বোঝাপড়া আরও দৃঢ় করেছে।
তার ভাষায়, দলের লক্ষ্য ফাইনালে ওঠা এবং দেশের জন্য ভালো কিছু অর্জন করা।
বাংলাদেশের এশিয়ান গেমস ইতিহাসে ক্রিকেটই সবচেয়ে বড় সাফল্যের উৎস।
২০১০ সালে গুয়াংজু এশিয়ান গেমসে মোহাম্মদ আশরাফুলের নেতৃত্বে স্বর্ণপদক জিতে ইতিহাস গড়েছিল বাংলাদেশ।
সেটিই এখন পর্যন্ত দেশের একমাত্র এশিয়ান গেমস স্বর্ণপদক।
পরে ২০১৪ সালে ব্রোঞ্জ এবং ২০২২ সালের হাংজু গেমসেও ব্রোঞ্জ জিতেছিল টাইগাররা।
তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের নিয়েই শক্তিশালী স্কোয়াড গঠন করেছে বাংলাদেশ।
ফলে প্রত্যাশাও অনেক বেশি।
লিটনের বিশ্বাস, দলের অভিজ্ঞতা ও প্রস্তুতি তাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহায়তা করবে।
জাপানে ক্রিকেটের প্রচলন তুলনামূলক কম হওয়ায় নতুন ভেন্যু ও কন্ডিশন নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে।
নারী দলের ম্যাচগুলো পর্যবেক্ষণ করে বাংলাদেশ দল ধারণা পেয়েছে যে উইকেট ধীরগতির হতে পারে, যেখানে স্পিনারদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে।
সেই বিবেচনায় চোট পাওয়া মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের পরিবর্তে রহস্য স্পিনার আলিস আল ইসলামকে চূড়ান্ত দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
লিটন বলেন, দেশের জন্য সাফল্য অর্জন করতে পারা সবসময়ই বিশেষ বিষয়।
ক্রিকেটে ট্রফির জন্য খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও এশিয়ান গেমসে লক্ষ্য থাকে স্বর্ণপদক জয়।
সেই স্বপ্ন পূরণে দলের সবাই উজ্জীবিত।
২০২২ সালের এশিয়ান গেমসের ম্যাচগুলো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেও সেবার পূর্ণ শক্তির দল পাঠায়নি বাংলাদেশ।
এবার অধিকাংশ দেশই জাতীয় দল নিয়ে অংশ নিচ্ছে।
তাই প্রতিযোগিতাও হবে আরও কঠিন।
তবে সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সোনালি সাফল্য অর্জনের আশায় জাপানের পথে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।
ডেস্ক / ইনসাফ নিউজ



















আপনার মতামত লিখুন :