খুলনায় হোটেল কক্ষে স্বামীকে ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে ফাতেমা আক্তার (২৪) ওরফে সুপ্তী রানী জোয়ার্দার নামে এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে হোটেল কর্তৃপক্ষের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গ্রেফতার করে খুলনা সদর থানা পুলিশ।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৩টার দিকে খুলনা সদর থানাধীন হোটেল কপোতাক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আগের রাতে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে সোহেল রানা বাবু (৩২) ও অভিযুক্ত ওই নারী হোটেল কপোতাক্ষের একটি কক্ষে ওঠেন।পরে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতি শুরু হয়।
একপর্যায়ে অভিযুক্ত নারী ওড়না দিয়ে সোহেল রানা বাবুর গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করেন।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সোহেল রানা বাবু তার কথিত স্ত্রীকে দিয়ে দেহব্যবসা করাতেন বলে জানাগেছে ।
ঘটনার রাতে শারীরিক অসুস্থতার কারণে ওই নারী দেহব্যবসায় যেতে অস্বীকৃতি জানালে সোহেল তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন।
এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ ও হাতাহাতির একপর্যায়ে ওই নারী ওড়না পেঁচিয়ে সোহেলকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
হোটেল ম্যানেজার মনির বিষয়টি জানতে পেরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান, হোটেলের একটি কক্ষে এক নারী তার স্বামীকে হত্যা করেছেন।
৯৯৯ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি খুলনা সদর থানাকে জানানো হয়।
কলটি গ্রহণ করেন ৯৯৯ কলটেকার কনস্টেবল মো. সোলাইমান।
এ সময় ৯৯৯-এর পুলিশ ডিসপাচার এসআই মো. আব্দুল মান্নান সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে পুলিশ পাঠানোর বিষয়টি সমন্বয় করেন।
সংবাদ পেয়ে খুলনা সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত ফাতেমা আক্তার (২৪) ওরফে সুপ্তী রানী জোয়ার্দারকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়।
গ্রেফতার ফাতেমা আক্তার খুলনার দাকোপ উপজেলার আচাবুয়া গ্রামের মৃত বিকাশ জোয়ার্দারের মেয়ে। তার মায়ের নাম খাদিজা বেগম ওরফে সুনীত রায়।
এ ঘটনায় খুলনা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানায় ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে ।




















আপনার মতামত লিখুন :