×
  • ঢাকা
  • রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
Active News 24
রিয়াদ বিমানবন্দরে ১৮ জনের প্রাণহানির নেপথ্যে বড় প্রশ্ন

রিয়াদ বিমানবন্দরে ১৮ জনের প্রাণহানির নেপথ্যে বড় প্রশ্ন


ইনসাফ নিউজ | কাকলী আক্তার কেয়া প্রকাশিত: অক্টোবর ১৩, ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম রিয়াদ বিমানবন্দরে ১৮ জনের প্রাণহানির নেপথ্যে বড় প্রশ্ন


সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

 

 

ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত ও ৩০০ জনের বেশি আহত হওয়ার ঘটনায় দেশটির আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

 

 

 

হামলার আগে রিয়াদসহ বিভিন্ন শহরে মোবাইল সাইরেন ও জরুরি সতর্কবার্তা পাঠানো বন্ধ থাকার বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

 


একাত্তর টেলিভিশনের বরাতে জানা যায়, ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের চালানো সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর সৌদি আরবের জননিরাপত্তা ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

 

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের মে মাসে জাতীয় জরুরি সতর্কতা ব্যবস্থা চালু হলেও সেপ্টেম্বর থেকে বিভিন্ন এলাকায় সতর্কবার্তা পাঠানো বন্ধ হয়ে যায়।

 

 


পশ্চিমা ও আরব কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সতর্কবার্তা বন্ধ রাখার বিষয়ে সৌদি কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, গভীর রাতে বারবার বার্তা আসায় নাগরিকদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটছিল এবং এ নিয়ে অভিযোগ বাড়ছিল।

 

 

তবে এ সিদ্ধান্তের ফলে হামলার সময় সাধারণ মানুষ আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

 


প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কাতার, বাহরাইন ও কুয়েতের মতো উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলার সময় সাইরেন ও মোবাইল বার্তার মাধ্যমে নাগরিকদের সতর্ক করে।

 

 

বিপরীতে, সৌদি আরবে সতর্কবার্তা বন্ধ থাকার বিষয়টি সাম্প্রতিক হামলার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

 

 


সমালোচনার মুখে সোমবার থেকে রিয়াদ ও দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরগুলোতে আবারও সতর্কবার্তা জারি শুরু করেছে সৌদি সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

পাশাপাশি হামলাস্থল ও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের ছবি-ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

 


এদিকে, রিয়াদে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ডব্লিউপিসি এনার্জি কংগ্রেসে সৌদির জ্বালানিমন্ত্রী যুবরাজ আব্দুলআজিজ বিন সালমান দেশ নিরাপদ বলে দাবি করেছেন।

 

তবে হামলায় হতাহতের ঘটনা এবং আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা নিয়ে ওঠা প্রশ্ন দেশটির নিরাপত্তা প্রস্তুতি ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
 

ডেস্ক / ইনসাফ নিউজ

আন্তর্জাতিক বিভাগের আরো খবর