রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের নিচতলায় ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সভাটি শুরু হয়।
সভায় জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ পরিচালক মনির হোসেন জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এতে সংসদ সচিবালয়ের সচিব এবং ইসি সচিবের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিল।
এর আগে গত ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
তফসিল অনুযায়ী:
১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমা
১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই
১৮ আগস্ট বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহার
একাধিক প্রার্থী থাকলে ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
সাড়ে তিন দশক পর এবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
ক্ষমতাসীন দল বিএনপি তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ইতোমধ্যে তাদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে।
বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংসদ সদস্যদের ভোটে অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপন ব্যালট থাকলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট হয় প্রকাশ্যে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনি কর্তার দায়িত্ব পালন করেন এবং প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র সিইসির কার্যালয়ে জমা দিতে হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনসহ বর্তমানে ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন।
তারাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।
এর মধ্যে বিএনপির ২৪৭ জন এবং জামায়াতের ৭৭ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন।
এছাড়া স্বতন্ত্র ও অন্যান্য ছোট দলের সদস্যরাও রয়েছেন।
সংবিধানের ১৯৭২ সালের দ্বিতীয় তফসিলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে গোপন ভোটের বিধান ছিল।
পরে ১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি আইনের মাধ্যমে প্রকাশ্য ভোটের বিধান কার্যকর করা হয়।
নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা, যাচাই-বাছাই ও প্রত্যাহারের কার্যক্রম সিইসির কার্যালয়ে সম্পন্ন হবে।
একক প্রার্থী থাকলে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন, আর একাধিক প্রার্থী থাকলে জাতীয় সংসদ কক্ষে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
ডেস্ক / ইনসাফ নিউজ

























আপনার মতামত লিখুন :