আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে লিওনেল মেসির অবসরের ঘোষণার পর নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)।
দেশের মাটিতে সমর্থকদের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে মেসিকে বিদায় জানানোর যে পরিকল্পনা ছিল, তা এখন অনেকটাই নির্ভর করছে কিংবদন্তি এই ফুটবলারের সিদ্ধান্তের ওপর।
২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের ম্যাচটিই আপাতত আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির শেষ ম্যাচ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তবে এএফএ চেয়েছিল, দেশের মাটিতে একটি বিশেষ ম্যাচ আয়োজন করে দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময়ের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের জন্য তাকে সম্মান জানাতে।
আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বিরতিতে আর্জেন্টিনার চারটি প্রীতি ম্যাচ খেলার সুযোগ রয়েছে।
এ সময় চীন সফরসহ বিভিন্ন পরিকল্পনা থাকলেও মেসির অবসরের ঘোষণার পর সেগুলো নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, মেসিকে নিয়ে বিদায়ী আয়োজনের ভাবনা এখনো বাতিল হয়নি।
তবে এ বিষয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মেসির ব্যক্তিগত সম্মতি।
তিনি যদি আগ্রহ প্রকাশ করেন, তাহলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই সমর্থকদের সামনে একটি বিশেষ বিদায়ী ম্যাচ আয়োজন করা হতে পারে।
তবে এএফএর সামনে কিছু জটিলতাও রয়েছে।
বিশ্বকাপ চলাকালে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার কারণে ফিফার শাস্তির মুখে পড়েছে আর্জেন্টিনা।
এর ফলে পরবর্তী হোম ম্যাচে স্টেডিয়ামের মাত্র ৫০ শতাংশ দর্শক প্রবেশের অনুমতি থাকবে।
দ্বিতীয় ম্যাচের শাস্তি আপাতত স্থগিত থাকলেও দর্শক উপস্থিতির সীমাবদ্ধতা বিদায়ী আয়োজনের ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
২০০৫ সালে জাতীয় দলে অভিষেকের পর থেকে আর্জেন্টিনার হয়ে অসংখ্য রেকর্ড, শিরোপা ও স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন মেসি।
তার নেতৃত্বেই আর্জেন্টিনা জিতেছে কোপা আমেরিকা ও বিশ্বকাপ।
তাই দেশের সমর্থকদের সামনে তাকে শেষবারের মতো সম্মান জানানোর ইচ্ছা রয়েছে এএফএর।
এখন অপেক্ষা শুধু একটি সিদ্ধান্তের—লিওনেল মেসি কি আরেকবার আকাশি-সাদা জার্সিতে মাঠে নামতে সম্মতি দেবেন?


























আপনার মতামত লিখুন :