রক্তের সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে এবং ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আপন ভাইয়ের কোটি টাকার বাড়ি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন সাবেক নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তা।
শুধু তাই নয়, বাবার এই দখলদারিত্ব টিকিয়ে রাখতে তার ছেলে সেনাবাহিনী ও পুলিশের ভুয়া উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, মুসলিম ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের সেক্রেটারি মোহাম্মদ লিটন মিয়া কয়েক বছর আগে তার আপন ভাই, সাবেক নৌবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার আব্দুল মমিনকে সাময়িকভাবে নিজের একটি বাড়িতে থাকার অনুমতি দেন।
আত্মীয়তার প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও ভালোবাসাই এখন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে লিটন মিয়ার জন্য।
আশ্রয় পাওয়ার পর থেকেই আব্দুল মমিন ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু করেন এবং বর্তমানে বাড়িটি সম্পূর্ণ অবৈধভাবে নিজের দাবি করে দখল করে আছেন।
অথচ এই দাবির সপক্ষে আজ পর্যন্ত কোনো বৈধ দলিল বা প্রমাণ দেখাতে পারেননি তিনি।
স্থানীয়রা জানান, আব্দুল মমিনের এই বেপরোয়া আচরণের মূল খুঁটির জোর তার ছেলে রিঙ্কু। অনুসন্ধানে জানা গেছে, রিঙ্কু একসময় সেনাবাহিনীর লং কোর্সে যোগ দিলেও মাত্র দুই বছরের মাথায় জঘন্য প্রতারণার দায়ে চাকরি থেকে বরখাস্ত হন।
কিন্তু বরখাস্ত হয়েও তার প্রতারণা থামেনি; বরং সে এখন নতুন রূপে মাঠে নেমেছে। বর্তমানে সে নিজেকে কখনো সেনাবাহিনীর ‘মেজর জেনারেল’ আবার কখনো ‘পুলিশ সুপার’ (SP) পরিচয় দিয়ে এলাকায় ক্ষমতার বিস্তার করার চেষ্টা করছে এবং সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।
এই চরম অন্যায় ও প্রতারণার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী মানবিক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ লিটন মিয়া একাধিকবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, কোনো এক অজ্ঞাত কারণে এবং অদৃশ্য শক্তির ইশারায় থানা পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা সুরাহা করেনি।
ফলে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আইনি প্রতিকারহীনতায় দিন কাটাচ্ছে ভুক্তভোগী পরিবার।
আপন ভাইয়ের এই চরম বিশ্বাসঘাতকতা এবং ভুয়া সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়া প্রতারক চক্রের হাত থেকে বাঁচতে এবং নিজের সম্পদ ফিরে পেতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মোহাম্মদ লিটন মিয়া।
এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার নেপথ্যে আর কারা জড়িত এবং প্রশাসনের নীরবতার কারণ কী?
এ বিষয়ে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য নিয়ে বিস্তারিত আসছে... চোখ রাখুন ‘ইনসাফ নিউজ’-এ।
ডেস্ক / ইনসাফ নিউজ

























আপনার মতামত লিখুন :