×
  • ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
Active News 24
চরফ্যাশনে দাঁড়িপাল্লার প্রচারে বাধা নারীর কান ছিঁড়ে মাথা ফাটালেন যুবদল নেতা

চরফ্যাশনে দাঁড়িপাল্লার প্রচারে বাধা নারীর কান ছিঁড়ে মাথা ফাটালেন যুবদল নেতা


ইনসাফ নিউজ | ভোলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম চরফ্যাশনে দাঁড়িপাল্লার প্রচারে বাধা নারীর কান ছিঁড়ে মাথা ফাটালেন যুবদল নেতা

ভোলার চরফ্যাশনে পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণায় নামায় হাজেরা বেগম (৫০) নামে এক নারীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তার কান ছিঁড়ে নেওয়া হয় এবং মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়।

 


এ সময় মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে হাজেরা বেগমের ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে লিমাকেও বেধড়ক মারধর করা হয় এবং পেটে লাথি মারা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

 


ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা ইউনিয়নের চর মানিকা এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডে। অভিযুক্ত ব্যক্তি শাহাবুদ্দিন (৩৭), তিনি ওই এলাকার শাহাদাৎ হাওলাদারের ছেলে এবং ইউনিয়ন যুবদলের নেতা বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

 


চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন হাজেরা বেগম অভিযোগ করে বলেন, রোববার শাহাবুদ্দিন তাকে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে বের হতে বলেন।

 

এতে তিনি রাজি না হওয়ায় পরদিন সকালে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে প্রচারণায় বের হলে তাকে বাধা দেওয়া হয়।

 

হুমকি উপেক্ষা করায় শাহাবুদ্দিন তাকে গালিগালাজ করে মারধর শুরু করেন।


তিনি আরও জানান, মারধরের সময় তাকে রক্ষা করতে এলে শাহাবুদ্দিন ও তার স্ত্রী লাইজু বেগম তার অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে লিমাকে মারধর করেন এবং পেটে লাথি মারেন।

 

একপর্যায়ে শাহাবুদ্দিন তার কান ছিঁড়ে অলংকার নিয়ে যান এবং কাঠ দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তিনি ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

 


চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হাজেরা বেগমের মাথায় ছয়টি সেলাই এবং ছিঁড়ে যাওয়া কানে দুটি সেলাই দিতে হয়েছে।

 


ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে শাহাবুদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় দখল ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন। তার ভাই হেলালও একইভাবে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

 


এ ঘটনায় হাজেরা বেগমের পরিবার মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অভিযুক্ত যুবদল নেতা শাহাবুদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর তিনি ফোন কেটে দেন এবং পরবর্তীতে আর ফোন রিসিভ করেননি।

 


দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান কবির বলেন,
“অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ডেস্ক / ইনসাফ নিউজ

রাজনীতি বিভাগের আরো খবর