×
  • ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
Active News 24
শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি

শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি


ইনসাফ নিউজ | কাকলী আক্তার কেয়া প্রকাশিত: জুলাই ৩১, ২০২৬, ০২:১৯ পিএম শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত থেকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক

 

কর্মকাণ্ড পরিচালনার অনুমতি পাচ্ছেন না বলে ভারতের সংসদীয় কমিটিকে নিশ্চিত করেছে দেশটির সরকার।

 

শেখ হাসিনার চলতি বছরের শেষ নাগাদ দেশে ফেরার সাম্প্রতিক

মন্তব্যের পর ভারতের পররাষ্ট্র

মন্ত্রণালয় তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে।

 

ভারতের কংগ্রেস নেতা শশী থারুরের নেতৃত্বাধীন পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয়

 

কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, মানবিক কারণে সংকটাপন্ন ব্যক্তিকে আশ্রয় দেওয়া ভারতের দীর্ঘদিনের নীতির অংশ।

 

তবে সেই আশ্রয়কে ব্যবহার করে ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না।

 

প্রতিবেদনটি ‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ’ শিরোনামে প্রস্তুত করা হয়েছে।

 

 

এতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ সরকারের পাঠানো শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ আবেদন ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিদ্যমান আইন ও নিয়ম অনুযায়ী পর্যালোচনা করছে।

 

 

এদিকে বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, শেখ হাসিনা ভারত থেকে দেশে ফিরলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

বিষয়টি ঘিরে দুই দেশের কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।

 

 

প্রতিবেদনে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুত স্বাভাবিক করার সুপারিশ করা হয়েছে।

 

২০২৪ সালের জুলাই থেকে দীর্ঘ সময় স্থগিত থাকার পর ২০২৬ সালের ২৮ জুন পর্যটন ভিসা পুনরায় চালু হলেও তা আরও সহজ ও গতিশীল করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

 

 

 

এ ছাড়া ১৯৯৬ সালের তিস্তা পানি চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালে শেষ হওয়ার কথা উল্লেখ করে দ্রুত নবায়ন আলোচনা শুরু করার তাগিদ দিয়েছে সংসদীয় কমিটি।

 

 

পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার রাজ্য সরকারের সঙ্গে পরামর্শ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং নদীর সাম্প্রতিক তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে আলোচনার সুপারিশ করা হয়েছে।

কমিটি আরও বলেছে, বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কের আলোচনায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

 

ডেস্ক / ইনসাফ নিউজ

রাজনীতি বিভাগের আরো খবর