কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নে নির্বাচনের পরপরই সংঘর্ষ ও উসকানিমূলক ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা জামায়াত ও এনসিপিকে উসকানি দেওয়ার উদ্দেশ্যে বিকট শব্দে সাউন্ড বক্স বাজিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে। ঘটনায় নেতৃত্ব দেন ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য সহিদুল ইসলাম।
প্রতিবাদমূলক অবস্থান নেয়া এনসিপির এক যুবককে বিএনপির সন্ত্রাসীরা ধরে বেঁধে নির্মমভাবে মারধর করে।
ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেন হাসান জিহাদী ও তার ভাই মেহেদী হাসান।
দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ হামলায় তারা দুজনই রক্তাক্ত হন। ঘটনাস্থলে জামায়াত, শিবির ও এনসিপির নেতাকর্মীরা এসে আহতদের উদ্ধার করেন, যার ফলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
পরে বিএনপির নেতাকর্মীরা ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে নাটক সাজায়। সহিদুল মেম্বারের বাড়ির পাশে পড়া খড়ে আগুন ধরানো এবং নিজের ঘরের টিনে হালকা ভাঙচুর করে মিথ্যা দৃশ্য সৃষ্টি করা হয়। উদ্দেশ্য ছিল—জামায়াত ও এনসিপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সাজানো মামলা।
মামলার আসামিরা আজ আদালতে হাজির হয়। মামলার অধিকাংশ আসামি জামিন পেয়েছেন, কিন্তু একমাত্র প্রতিবাদী যুবক জুলাই যোদ্ধা হাসান জিহাদীকে আটক রাখা হয়।
প্রশ্ন তৈরি হয়েছে এই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে —কেন শুধু হাসান জিহাদীকে আটকের সিদ্ধান্ত?
জুলাই যোদ্ধা, হাসান জিহাদী কুড়িগ্রামের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।
স্থানীয় দুর্নীতি, দখলদারি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তার আপসহীন প্রতিবাদ তাকে বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য অস্বস্তির এবং কিছু মহলের কাছে বিরক্তির নাম করে তুলেছে।
তার আটককে অনেকে “সত্য বলার শাস্তি” এবং “মিথ্যার রাজনীতির বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর মূল্য” হিসেবে দেখছেন অনেকেই।
ডেস্ক / ইনসাফ নিউজ

























আপনার মতামত লিখুন :