শিরোনাম:
১০ বছর ধরে অকেজো সেতু, সংযোগ সড়ক না থাকায় দুর্ভোগে হাজারো মানুষ
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার হারুয়ালছড়ি
ইউনিয়নের পশ্চিম আঁধারমানিক পশ্চিম
ত্রিপুরাপাড়ায় প্রায় এক দশক ধরে একটি কংক্রিটের সেতু ব্যবহারহীন অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে।
সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় স্থানীয় হাজারো মানুষ এখনও ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের
সাঁকো ও কাদামাটির পথ ব্যবহার করে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে,
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে প্রায় ২৯
লাখ টাকা ব্যয়ে ফটিকছড়ি খালের ওপর ৩৬ ফুট দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণ করা হয়।
তবে নির্মাণের পর প্রথম বছরের বন্যায় সংযোগ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা আর পুনর্নির্মাণ করা হয়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর ওপর ধুলাবালি ও আগাছা জমে রয়েছে।
অপরদিকে আশপাশের মানুষ, স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও কৃষকদের এখনও বাঁশের সাঁকো দিয়ে খাল পার হতে হচ্ছে।
বর্ষাকালে এ দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।
এই সেতুর ওপর নির্ভরশীল পশ্চিম আঁধারমানিক,
উজানপাড়া, টিলাপাড়া, দবলী ছাড়াকুল, মাঝেরপাড়া ও নামারপাড়াসহ অন্তত ছয়টি
এলাকার কয়েক হাজার বাসিন্দা। সেতু চালু না থাকায়
রোগী, বৃদ্ধ ও গর্ভবতী নারীদের যাতায়াতেও চরম ভোগান্তি
পোহাতে হচ্ছে। কৃষকরাও ফসল বাজারে নিতে অতিরিক্ত সময় ও ব্যয়ের মুখে পড়ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, পরিকল্পনার ঘাটতির
কারণে সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি আজও জনসাধারণের কোনো কাজে লাগছে না।
দীর্ঘদিন ধরে সংযোগ সড়ক নির্মাণের দাবি জানানো হলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।
হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন চৌধুরী বলেন,
বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
খালের বর্তমান প্রস্থ বিবেচনায় নতুন পরিকল্পনায় বড় সেতু নির্মাণের বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।
ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ
মোহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
দ্রুত সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের এই ভোগান্তির অবসান ঘটিয়ে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ বা
প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে সেতুটি জনসাধারণের ব্যবহারের উপযোগী করা হবে।
ডেস্ক / ইনসাফ নিউজ

























আপনার মতামত লিখুন :