×
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২
Active News 24
ভোট গ্রহণের দায়িত্বে কওমী আলেম রা নেই কেন?

ভোট গ্রহণের দায়িত্বে কওমী মাদ্রাসার কেউ নেই কেন? প্রশ্ন এমপি প্রার্থীর


ইনসাফ নিউজ প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ০১:১০ পিএম ভোট গ্রহণের দায়িত্বে কওমী মাদ্রাসার কেউ  নেই কেন?  প্রশ্ন এমপি প্রার্থীর

কুমিল্লা ১০ এর এমপি প্রার্থী মুফতি শামছুদ্দোহা আশরাফী, তার একটি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন..

ভোট গ্রহণের দায়িত্বে কওমী আলেমরা নেই কেন?  

ভোটের মতো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক দায়িত্বে

স্কুল–কলেজের শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা, এনজিও কর্মী সবাই যুক্ত।

 

কিন্তু কওমী মাদ্রাসার শিক্ষক ও স্টাফদের পরিকল্পিতভাবে বাদ দেওয়া হয়।

 

 এটি কোনো “প্রশাসনিক ভুল” নয়, বরং পরিকল্পিত বৈষম্য ও ধর্মীয় পরিচয়ভিত্তিক বঞ্চনা।

 

 সংবিধান কী বলে?

 

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ — আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিক সমান। 

অনুচ্ছেদ ২৮(১) — ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য করা যাবে না। 

অনুচ্ছেদ ৩৬ ও ৩৮ — নাগরিক অধিকার ও অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা। 

তাহলে প্রশ্ন একটাই, কওমী শিক্ষকরা কি বাংলাদেশের নাগরিক নন?

 

আইনের দৃষ্টিতেও যদি দেখা হয় তাহলেও কওমিধারার শিক্ষকস্টাফদের বাদ দেয়ার সুযোগ নেই। 

 

কারণ ভোটের কাজে যুক্ত হওয়ার জন্য কোথাও লেখা নেই যে “কওমী মাদ্রাসার শিক্ষক অযোগ্য।”

★ তারা প্রাপ্তবয়স্ক

★ তারা শিক্ষিত

★ তারা আইন মেনে চলা নাগরিক

★ তারা সমাজে নৈতিক ও দায়িত্বশীল

 

তবু তাদের বাদ দেওয়া হচ্ছে—শুধু পরিচয়ের কারণে। এটা রাষ্ট্রীয়ভাবে বিপ*জ্জনক। 

 

এই বৈষম্য রাষ্ট্রের নিরপেক্ষতা ধ্বংস করে। ধর্মীয় বিভাজন গভীর করে। 

 

একটি বৃহৎ শিক্ষিত জনগোষ্ঠীকে রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন করে

একটি রাষ্ট্র যখন তার নাগরিকদের একাংশকে অবিশ্বাস করে। তখন সেটাই রাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।

 

আমাদের দাবি - 

১) কওমী শিক্ষকদের বাদ দেওয়ার এই অঘোষিত নীতি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে

২) ভোটের কাজে যোগ্যতার ভিত্তিতে সকল নাগরিককে যুক্ত করতে হবে

 

 সমান অধিকার রাষ্ট্রের দয়া নয়—এটা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। 

ডেস্ক / ইনসাফ নিউজ

রাজনীতি বিভাগের আরো খবর